বিচারক হওয়ার স্বপ্ন পূরণের কারিগর ডি জুরি একাডেমির অনন্য মাইলফলক

আইনের একজন শিক্ষার্থীর সবচেয়ে বড় স্বপ্নগুলোর একটি হলো বিচারকের আসনে বসা। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার এক বিশ্বস্ত কারিগর হয়ে উঠেছে ‘ডি জুরি একাডেমি’।

সদ্য প্রকাশিত ১৮শ বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষার ফলাফলে সেই প্রমাণই মিলল আরেকবার। এবারের মেধা তালিকায় ১ম ও ৩য় স্থান অধিকারীসহ একাডেমির ৩৫ জন শিক্ষার্থী সহকারী জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।

দেশসেরা মুকুট যার মাথায়, সেই আরিফুল ইসলাম সিয়াম ছিলেন একাডেমির ‘Run for 18th BJS Preli’ এবং ‘Written’ ব্যাচের ছাত্র। কৃতজ্ঞ চিত্তে তিনি স্মরণ করেন একাডেমির মেন্টরদের, যারা এমসিকিউ বা রিটেনের যেকোনো দ্বিধায় তার পাশে ছায়ার মতো ছিলেন।

সাফল্যের এই গল্পটি একদিনে তৈরি হয়নি। পরিসংখ্যানে তাকালে দেখা যায়, ১৫শ বিজেএসে ১ম স্থানসহ ৭ জন, ১৬শ-তে ২য় স্থানসহ ১১ জন এবং ১৭শ-তে ৩য় স্থানসহ ২৬ জন এখান থেকে বিচারক হয়েছেন। বিগত ৪ বছরে মোট ৭৯ জন বিচারক এবং ৯৪৯ জন অ্যাডভোকেট তৈরি করে ডি জুরি এখন আইন অঙ্গনে এক ভরসার নাম।

শুধু প্রথাগত পড়াশোনাই নয়, নিজস্ব অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা, নারী শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ক্যাম্পাস এবং মাজদার হোসেন বা ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলের মতো কিংবদন্তিদের নিয়ে ক্যারিয়ার সেশন শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবেও প্রস্তুত করে তোলে।

ধারাবাহিক এই সাফল্যের নেপথ্যের কথা জানিয়েছেন একাডেমির পরিচালক জনাব রফিকুল ইসলাম শিমুল। তার মতে, চূড়ান্ত পরীক্ষার অনুরূপ মানসম্মত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া এবং নিবিড়ভাবে খাতা মূল্যায়ন করে শিক্ষার্থীদের ভুল শুধরে দেওয়াই তাদের এই বিজয়ের মূল চাবিকাঠি।

টিএ/