দুই সপ্তাহ পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনির জানাজা ও দাফন

ফাইল ছবি

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফন প্রক্রিয়া আগামী জিলহজ মাসের শেষে এবং মহররম মাসের শুরুতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তেহরান মিউনিসিপ্যালিটির সাংস্কৃতিক ও সামাজিক বিষয়ক উপ-প্রধান মোহাম্মদ আমিন তাভাকোলিজাদেহ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আর মাত্র দুই সপ্তাহ পরই হতে যাওয়া এই দাফন অনুষ্ঠানের মূল দায়িত্বে রয়েছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি। এই উপলক্ষে ইরানে টানা তিন দিনের একটি ‘পিপলস প্যারেড’ বা শোক মিছিলের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

তেহরানে বিদায় অনুষ্ঠানের পর জানাজা ও দাফন সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা অন্তত ২৪ ঘণ্টা ধরে চলবে। ঐতিহাসিক এই শোকযাত্রায় রাজধানীতে প্রায় দেড় থেকে দুই কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তেহরানের পাশাপাশি কোম এবং মাশহাদ শহরেও জানাজা অনুষ্ঠানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।

আত্মীয়-স্বজনদের সুপারিশের ভিত্তিতে খামেনিকে মাশহাদের পবিত্র ইমাম রেজা মাজারে দাফন করা হবে। এই শেষ বিদায়ে অংশ নিতে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও কাশ্মীরসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কর্মকর্তা ও শোকার্তরা মাশহাদে উপস্থিত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলি ও মার্কিন হামলার শুরুর দিকে নিজের কার্যালয়ে সপরিবারে নিহত হন ৮৬ বছর বয়সী এই শীর্ষ শিয়া নেতা। ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর তিনি ইরানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দীর্ঘ সাড়ে ৩৬ বছর এই পদে আসীন ছিলেন। প্রশাসন জানিয়েছে, খামেনির বিদায়ী অনুষ্ঠানটি হবে এমন এক বৈশ্বিক আয়োজন, যা ইসলামি বিশ্ব এবং ইরানের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

এমএআর/